ঝাঁকে ঝাকেঁ পঙ্গপাল ছেয়ে যাচ্ছে এলাকা, কতটা বিপদ হতে তা আঁচও করতে পারবেন না

  • 830
    Shares

করোনা আবহেই দেশে নয়া আতঙ্ক, তা হল পঙ্গপাল। এমনিতেই গত সপ্তাহে যেভাবে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দেশে আছড়ে পড়েছিল আর তা এককথায় পশ্চিমবঙ্গকে ছাড়খার করে দিয়েছে। কিন্তু তার ওপরে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা। পশ্চিম ও মধ্য ভারতের বিস্তীর্ণ জায়গায় পঙ্গপাল হানায় ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। এতটাই ক্ষতি হয়েছে যা হিসেব কষেও হয়তো ঠিক বলা যাবেনা। হাজার হাজার মানুষের একবছরের খাবার খেয়েছে পঙ্গপাল। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় হানা দিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে এবার কিন্তু রাজধানী শহর দিল্লীও টার্গেটে। উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তরাখণ্ড কোনো জায়গাই বাদ নেই পঙ্গপালের হানা থেকে। এমনকি রাজস্থানের লোকালয়ে যাভেব পঙ্গপাল হানা দিয়েছে তাতে ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আর যা এককথায় বিশেষজ্ঞদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, এই পঙ্গপাল মোট বারোটি প্রজাতির হয়ে থাকে। যারা আবহাওয়ার বদলের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের বদলে ফেলতে পারে। এরা শয়ে শয়ে কিমি দূর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসতে পারে। প্রতিদিন প্রায় দুই গ্রাম করে খাবার খেয়ে নিতে পারে। আর এভাবেই এক একটি পঙ্গপাল আড়াই থেকে সাড়ে তিন হাজার মানুষের খাবার খেয়ে নিতে পারে।

যযেহেতু এখন মোসুমি বায়ু সক্রিয় হয়েছে তাই পাকিস্তান থেকে রাজস্থান দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। যদিও এদের হানা দেওয়ার টাইম জুলাই মাসে। কিন্তুএবছর আগেই ঢুকেছে। যার জেরে একেবারে অশনি সংকতে দেখছে ভারতের একাংশ।  বর্তমানে রাজস্থান, গুজরাত, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে সক্রিয় এই পঙ্গপালের দল। এক থেকে দু’দিনের মধ্যেই ছত্তীসগঢ়েও পৌঁছে যেতে পারে।

এরপর রাজধানী দিল্লিতে হানা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সাধারণত এরা ফসলের ক্ষতি করলেও মানুষের কোনো ক্ষতি করে না। তবে এত ঢঢাঁকে ঢাঁকে পঙ্গপাল যাদের বিতাড়িত করার কোনো উপায় নেই। কিন্তু রাসায়নিক স্প্রে করে তাদের তাড়ানো সম্ভব। তাই তো মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরের চাষিরা আবার রাসায়নিক ও জল স্প্রে করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

error: Content is protected !!