এবার লাইন দিয়ে ফুচকা খাওয়ার দিন শেষ, এসে গেল ফুচকা এটিএম

  • 701
    Shares

ফুচকা এককথায় মেয়েদের কাছে অমৃতের মতো। একটি ফুচকা খেলে যে মন ভরে না। একেবারে দাঁড়িয়ে গোটা পঞ্চাশেক তো বটেই। গোলগপ্পে, পানিপুরী এসব নামও রয়েছে তার। তার সঙ্গে বাহারি মশালা, আলু মাখা টক জল, দই ফুচকা ও চাটনি ফুচকরা সমাহার। যা নিয়ে একেবারে আনন্দে আত্মহারা। সংসারে কাজ না করতে মন গেলেও লাইনে দাঁড়িয়ে ফুচকা খেতে ওস্তাদ মেয়েরা। তার সঙ্গে আবার ফুচকায়ালার সঙ্গে দর কষাকষি, ফাও নেওয়া এসব মজার তালিকাতেই পড়ে। সব নিয়ে দিব্যি আনন্দের কথা। যদিও লকডাউন পিরিয়ডে ফুচকা না খেতে যেতে পারলেও বাড়িতে কেউ বানিয়ে খেয়েছেন আবার কেউ দোকান থেকে বানানো প্যাকেট কিনে নিয়ে এসে বাড়িতে খেয়েছেন। তবে বাদ যায়নি ফুচকা খাওয়া। এককথায় মেয়েদের মন খারাপের সময় মন ভালো করার অপর এক মাধ্যম হল ফুচকা।

কিন্তু এবার সেই ফুচকা খাওয়াকে আরও সহজ ও সুস্বাদু এ আনন্দময় করে তুলতে আসছে ফুচকা এটিএম। হ্যাঁ ভাবতে খানিকটা অবাক লাগছে তো বটেই। কিন্তু নাহ এমনটাই হচ্ছে যে। তবে এতে কিন্তু একটা সুবিধা বেশি পাওয়া যাবে, হয়তো খেতে খেতে কতটাকার হল গুণতে ভুলে যান অনেকেই কিন্তু এবার থেকে এটিএম মেশিনে যত টাকা দেবেন তত টাকারই ফুচকা পাবেন গ্রাহকরা। একদিকে কম ও হবে না আবার ফাও চাইলেও পাবেন না। কারণ সবটাই মেশিনের কারসাজি যে।

যেভাবে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে তাতে নিরাপদে ফুচকা কবে খেতে পারবেন সেই চিন্তায় আম জনতার ঘু উড়েছিল। তাই এবার সব চিনাত দূর করে অটোমেটিক স্যানিটাইজ সমৃদ্ধ ফুটকা এটিএম আসছে বাজারে। তবে আর চিন্তা নেই। এবার থেকে নিজের ইচ্ছামতো খেতে পারবেন যে। তবে মেশিনটি দেখতে খানিকটা এটিএম মেশিনের মতোই। একেবারে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মেশিনটি।

এই মেশিন আবিশ্কার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জানানো হয়েছে এর ফলে কোনো চিনা সংস্থার ওপর আর নির্ভরশীল হতে হবে না। তবে এরপরেও আরও উন্নত ধরনের কিছু আবিষ্কার হবে এমনটা আশা করাই যায়। ট্যইটারে ইতিমধ্যেই এই ফুচকা মেশিনের ছবি শেয়ার হয়েছে। তবে কবে থেকে চালু হবে তা নিয়ে কিছুই জানা যায়নি। কিন্তু ফুচকা এটিএম নিয়ে যে সকলের মধ্যে আলাদা কৌতূহল রয়েছে তা বলাই যায়।

error: Content is protected !!