রাজ্য সরকারের নয়া উদ্যোগ! এ বার থেকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় নাম জুড়ল ভেলোরের সিএমসি এবং আরও এক হাসপাতাল

  • 163
    Shares

হাসপাতালের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মসনদে বসার পর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে একাধিক প্রকল্পের সূচনা করেছেন। রাজ্যের দরিদ্র এবং দরিদ্র সীমার নীচে যাঁরা বসবাস করেন সেই ধরনের রাজ্যবাসী যাতে কোনও রকম কঠিন বা বড় কোনও ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে বিনামূল্যে চিকিত্সা করাতে পারেন তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্য সাথি প্রকল্পের সূচনা করেছেন। এই প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী বেশ কয়েকটি নার্সিংহোম ও হাসপাতাল গুলিকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে যেখানে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কার্ড দেখালেই বিনা মূল্যে যে কোনো রোগের চিকিত্সা করাতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

সেভাবেই আমাদের রাজ্যের বেশ কয়েকটি নার্সিংহোম এবং হাসপাতাল রয়েছে কিন্তু এবার স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় নাম জুড়ল ভেলোরের সিএমসি র। যেহেতু অনেক মানুষ এই রাজ্যে চিকিত্সা ব্যবস্থায় সুস্থ না হলেই ভেলোরের সিএমসি মোটা টাকা খরচ করে চিকিত্সা করাতে যান তাই তাঁদের ক্ষেত্রে যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয় তার জন্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ হেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যদিও একই সঙ্গে দিল্লির এইমস হাসপাতালকেও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এমনিতেই লকডাউনের ঝেড়ে যাঁরা ভেলুর এবং দিল্লির মতো জায়গায় চিকিত্সা করাতে গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই আটকে পড়েছিলেন তাঁদের বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে ফিরিয়ে এনেছেন।

পাশাপাশি করোনা মোকাবিলার জন্য রাজ্য সরকার একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন আর তার মধ্যে এবার অন্যতম বিশেষ সুবিধা হল বেসরকারি হাসপাতালে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে আর চার হাজার নয় এ বার 2250 টাকা করে দিতে হবে গ্রাহকদের। এ ছাড়াও পিপি টিকিট সংগ্রহের জন্য মাত্র এক হাজার টাকা করেই দিন পিছু দিতে হবে। অর্থাত্ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার আবারও নিজের মানবিকতা দেখালেন স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান।