এঁচোড়কে এই ভাবে রান্না করলে কষা মাংসের স্বাদকেও হার মানাবে, খেতে হবে একদম খাসির মাংসের মতো

প্রতিভা এমন একটা জিনিস যা লুকিয়ে থাকে না।তার আত্মপ্রকাশ ঘটবেই। প্রতিভা অনেকটা আলোর জ্যোতির মতন।আলোর জ্যোতির যেমন প্রকাশ ঘটে, কারণ প্রকাশই আলোর ধর্ম। প্রতিভা ও ঠিক তাই। আর এই প্রতিভার প্রকাশ আমাদের বেদনাতুর মনকে ও নিমেষের মধ্যে ভালো করে দেয়। চারপাশের ঘটতে থাকা এতো ভারী খবরে যখন দমবন্ধকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় , তখন আমরা সাময়িক স্বস্তি খুঁজতে চাই। সারাদিনের ক্লান্তি ভুলতে চেয়ে ই খুঁজতে থাকি অফবিট নিউজ।

আজ একটি রেসিপি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এটি এঁচোড়ের একটি রেসিপি। সবসময় বাড়িতে যেমন মাছ ,মাংস ,ডিম থাকেনা, তেমনই বাড়িতে অতিথি আসারও কোন বিশেষ সময় হয়না। হুট করে যদি কখনও অতিথি চলে আসে, তাহলে হাতের কাছে থাকা এঁচোড় দিয়ে তরকারি রান্না করা যাবে। আর এঁচোড় দিয়ে তৈরি করা এই তরকারি এতোই সুস্বাদু যে সকলে তা চেটেপুটে খাবেন।

এঁচোড়ের তরকারিটি রান্না করতে গেলে প্রথমেই আপনাকে এঁচোড়টিকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে, এরপর তার মধ্যে দিতে হবে নুন লঙ্কা ও সামান্য পরিমাণ হলুদ গুঁড়ো। এরপর কড়াইতে তেল দিয়ে এগুলিকেও ভাল করে ভেজে নিতে হবে। তারপর এই ভাজা জিনিসটি একটি পাত্রে তুলে রাখতে হবে। এরপর কড়াইতে আবার কিছুটা তেল দিয়ে তারমধ্যে রসুন আদা পিঁয়াজ কুচি টমেটো কুচিও লঙ্কা কুচি কে একসাথে ভালো করে দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভাজতে হবে। এরপরে এগুলিকে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পেষ্ট করতে হবে।

আবার নতুন করে কড়াই এর মধ্যে কিছুটা পরিমাণে তেল দিতে হবে, ও তার মধ্যে হলুদ গুঁড়ো লঙ্কাগুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে। কড়াইতে এই তেলের মধ্যেই আগে থেকে পেষ্ট করে রাখা পিঁয়াজ লঙ্কার মিশ্রণটি ও দিয়ে দিতে হবে। এরপর বেশ কিছুক্ষণ ধরে নাড়াচাড়া করবার পর আগে থেকে ভেজে রাখা এঁচোড়ের টুকরোগুলো‌ও কড়াইতে দিয়ে দিতে হবে। তারপর এই চোরটিকে ভালো রকম ভাবে নাড়াচাড়া করে এর মধ্যে জল দিতে হবে। তারপর কড়াইতে একটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে। 5 থেকে 7 মিনিট পর ঢাকা খোলা যাবে। এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন এঁচোড়ের এই দুর্দান্ত রেসিপি। গরম ভাত বা রুটি সমস্ত কিছুর সঙ্গেই এটা দারুন যাবে।

One thought on “এঁচোড়কে এই ভাবে রান্না করলে কষা মাংসের স্বাদকেও হার মানাবে, খেতে হবে একদম খাসির মাংসের মতো

Leave a Reply