নতুন পালক জুড়ল দেশের মাথায়, বিশ্বের দ্বিতীয় মোবাইল ফোন উতপাদনকারী দেশ ভারত

  • 1.4K
    Shares

বেশ কয়েকবছর ধরে ভারতের সঙ্গে চিনের বানিজ্যিক সম্পর্ক আস্তে আস্তে ক্ষীণ হয়ে আসছে। তাই চিনের সঙ্গে বানিজ্যিক চুক্তি থেকেও ভারত সরে আসার চেষ্টা করছে। এতদিন অবধি চিনের মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি ভারতে মোবাইলের রমরমা ব্যবসা করেছিল। যদিও বেশ কতগুলি ভারতীয় কোম্পানিও চিনে গিয়েছে ব্যবসা করতে। এককথায় পারস্পরিক মেনবন্ধন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ক্রমশই চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে সমস্যা সহ অন্যান্য ইস্যুকে কেন্দ্র করে সেই ভালো সম্পর্ক আস্তে আস্তে বৈরিতার সম্পর্কে পরিনত হয়। এরই মধ্যে করোনা পরিস্থিতিত। তাতেও উত্তেজনা বাড়াচ্ছে চিন। আর তাই ইতিমধ্যেই অনেকে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন পাশাপাশি মেড ইন চায়না লেখা জিনিস বর্জনের কথা ঘোষনা করেছেন। তবে এরই মধ্যে ভারতের জন্য আবার সুখবর।

একদিকে চিনের সঙ্গে ক্রমশই সম্প্রকি তিক্ততর হচ্ছে, অন্যদিকে সেই চিনের নির্ভরতাই কমে এল। কারণ ভারত হয়ে উঠেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল প্রস্তুত কারক দেশ। এতদিন অবধি ভারত অধিকাংশ মোবাল ফোন চিন থেকে নিয়ে আসত। কিন্তু আস্তে আস্তে ভারতীয় বাজার ধরতে গিয়ে চিনের সংস্থাগুলিও আবার ভারতে মোবাইলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করেছে। যার জন্য ভারত এখন বিশ্বের মোবাইল উতপাদনকারী দেশের শীর্ষে এসেছে। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন এখনও পর্যন্ত তিনশোরও বেশি মোবাইল উৎপাদনকারী ইউনিট তৈরি হয়েছে৷

মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে পাঁচগুণ বেশি মোবাইল প্রস্তুত করেছে দেশ। যেখানে ২০১৪ সালে ৬ কোটি ফোন উত্পাদন হত সেখানে এখন ৩০ কোটি ফোন তৈরি করা হচ্ছে দুটি প্ল্যান্টে। তবে এদিন দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ দেশের প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য আরও বড়সড় ঘোষনা করতে পারেন। তবে দেশের মোবাইল প্রস্তুত সম্পর্কে বলতে গিয়ে শাওমির ভারতীয় শাখার প্রধান ট্যুইট করে জানিয়েছেন আগে যেখানে ৬৫ শতাংশ ফোন উত্পাদন হত এখন সেই পরিমান বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ শতাংশে। যা এককথায় নজিরবিহীন।

তবে এখানেই শেষ নয়। যেভাবে ভারতের বিভিন্ন সংস্থা জোর দিয়ে মোবাইল প্রস্তুত করতে আগ্রাসী মনো ভাবে নিয়েছে তাতে আর মাত্র কয়েক বছরের অপেক্ষা, দেশে মোবাইল প্রস্তুতের সংখ্যা আরও বাড়বে। অন্যদিকে অ্যাপেলও সুখবর সশুনিয়েছে শীঘ্রই তাঁদের ব্যবসা ভারতে নিয়ে আসছে। এক্ষেত্রে কোম্পানি ও দেশ দুটো ক্ষেত্রেই লাভ হবে। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই স্যামসাং নয়ডায় কারখানা তৈরি করেছে।

error: Content is protected !!